
কান ধরে ওঠবোস’ চ্যালেঞ্জে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ রাজনীতি
🗞️ ‘কান ধরে ওঠবোস’ চ্যালেঞ্জে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ রাজনীতি
বাবরি মসজিদ–নতুন দল ঘিরে হুমায়ুন কবীর বনাম তৃণমূল, শুরু প্রকাশ্য শক্তি-পরীক্ষা
মুর্শিদাবাদ: তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হলেও নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরছেন না হুমায়ুন কবীর। ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের পর ঘোষণা করেছেন—২২ ডিসেম্বর নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করবেন তিনি। দাবি, ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে তাঁর দল হবে নির্ণায়ক শক্তি।
এই ঘোষণার মধ্যেই তৃণমূলের তরফে তীব্র পাল্টা আক্রমণ। মুর্শিদাবাদ–বহরমপুর সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি অপূর্ব সরকার সাফ জানিয়ে দেন—
“আমরা যদি জায়গা দখল করে রাখি, প্রমাণ দেখাক। প্রমাণ করতে পারলে কান ধরে ওঠবোস করব। নাহলে ওকেই করতে হবে।”
🔥 কেন এত উত্তেজনা?
বাবরি মসজিদ প্রস্তাব: হুমায়ুন কবীরের প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদ ঘিরে এলাকায় প্রবল উন্মাদনা। শয়ে শয়ে ইট, অনুদানের ঢল।
সূত্রের দাবি: মোট অনুদান ≈ ৫.৫ কোটি টাকা
ব্যাঙ্কে: ~ ৩.৭৪ কোটি
নগদ: ~ ১.৮০ কোটি
ভোট-অঙ্কের ভয়: রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, হুমায়ুন কবীর সংখ্যালঘু ভোটে ভাগ বসালে তৃণমূলের অঙ্কে চাপ বাড়তে পারে।
নতুন দল–নতুন মঞ্চ: ২২ তারিখ দল ঘোষণা, দাবি—৪ লক্ষ মানুষের জমায়েত। জায়গা ‘বুক’ করে রাখা নিয়ে তৃণমূলের সঙ্গে প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ।
🗣️ হুমায়ুন কবীর কী বলছেন?
তিনি অভিযোগ তুলেছেন, সরকারি টাকায় পুজো–মেলা–খেলার আয়োজন করে ভোটের রাজনীতি হচ্ছে। তাঁর দাবি—
“আমাকে রুখতে পারবে না। সভা হবে, দল গঠন হবে—জবাব দেব।”
⚖️ এখন প্রশ্ন
নতুন দল আদৌ কতটা প্রভাব ফেলবে?
অনুদান ও জমায়েতের দাবি কতটা বাস্তব?
সংখ্যালঘু ভোটে ভাঙন ধরলে কার লাভ–কার ক্ষতি?
চ্যালেঞ্জের পাল্টা চ্যালেঞ্জে মুর্শিদাবাদের রাজনীতি এখন টানটান। ২২ ডিসেম্বর-এর দিকে তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।