বালি বিধানসভাকে পশ্চিমবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিধানসভা করে তুলে বদ্ধপরিকর বালি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী কৈলাশ মিশ্র।
বালি বিধানসভা ক্ষেত্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হওয়ার টিকিট পাওয়ার পর দিনই তিনি ঘোষণা করেছিলেন আগে বালি, বেলুড়, লিলুয়ার বিভিন্ন এলাকাকে জঞ্জাল মুক্ত করবেন, পরিছন্ন করবেন, তারপর মানুষের কাছে ভোট চাইতে যাবেন। তাঁর মুখের কথাটি যে শুধু তত্ত্ব কথা নয়, বাস্তবে কাজে তিনি সকলের কাছে তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি পালন করতে সমর্থ হয়েছেন। তিনি সকলের কাছের কাজের মানুষ কৈলাশ মিশ্র।যাঁর নামের আগে রাজনীতিবিদ কথাটির আগে সমাজসেবী কথাটি বেশি প্রযোজ্য।মানুষের কাছে তাঁর জনপ্রিয়তায় অনেক নেতাকেই তিনি হার মানাবেন। একটু বিগত দিন গুলোর দিকে ফিরে তাকালে দেখা যায় যে, হাওড়া কর্পোরেশন এর কাউন্সিলর থাকাকালীনই তিনি তার দায়িত্ব পালন করেছেন সুন্দরভাবে। এলাকাবাসীদের সাথে প্রতিনিয়মিত জনসংযোগ, তাদের অভাব অভিযোগ,সমস্যা মন দিয়ে শোনা ও সমস্যার যথাসাধ্য সমাধানের চেষ্টা করেছেন। পরবর্তীতে কাউন্সিলর পদের মেয়াদ শেষ হলেও,মানুষের জন্য তাঁর কাজ থেমে থাকেনি। প্রতিদিন সকালে হেঁটে বিভিন্ন ওয়ার্ড এইভাবেই পরিক্রমা করতেন।কোভিডের সময় সর্বদা মানুষের সাহায্যে পাশে থেকেছেন। দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদেরকে পড়াশোনার সামগ্রী দিয়ে তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন। ক্ষুধার্ত কে অন্ন দিয়েছেন, চিকিৎসার ব্যবস্থা প্রভূত করেছেন। গত বর্ষায় কৈলাশ মিশ্র তার কর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন জলমগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন প্রতিদিন। তখনই তিনি এলাকাবাসীর নিকট জলমগ্ন, ভঙ্গুর রাস্তাগুলি পুননির্মানের আশ্বাস দিয়েছিলেন।তাঁর নির্দেশে গত বর্ষাকালে প্রতিনিয়ত কর্দমাক্ত নর্দমাগুলি নিয়মিত আবর্জনা পরিষ্কারের কাজে বালি পুরসভার বহু কর্মী প্রতিদিন অবিরত কাজ করছিলো। কৈলাশ মিশ্র কে এই কাজে সহায়তা করেছিলেন বর্তমানে বালি যুব তৃণমূল কগ্রেসের সভাপতি সুরজিৎ চক্রবর্তী সহ তাঁর গোটা টিম।ভোট ঘোষণার অনেক পূর্বেই কৈলাশ মিশ্রের পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বর্তমানে বালি, বেলুড় লিলুয়ার সমস্ত রাস্তাঘাট পুননির্মিত হয়েছে। এলাকাবাসীরা যথেষ্ট খুশি হয়েছেন এই কাজে। তাই তিনি যখন জনতার দরবারে নির্বাচনী প্রচারে হাজির ,তখন জনতা তাকে আশীর্বাদ ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। জনতার ভালোবাসায় তিনিও আপ্লুত। এরপর জনতার রায়ের উপর তিনি অপেক্ষা করছেন।